বছরের পর বছর ধরে, চল্লিশের মাঝামাঝি থেকে পঞ্চাশের কোঠায় থাকা বেশ কয়েকজন পেশাজীবী একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে আমার কাছে এসেছেন: “কয়েক মাস ধরে আমার কাঁধে ব্যথা।”

কারও কারও রোটেটর কাফের সমস্যা নির্ণয় করা হয়েছিল এবং প্রয়োজন হলে তাঁরা ওষুধও নিয়েছেন। সেটি যথাযথ চিকিৎসারই অংশ ছিল। তারপরও নড়াচড়া করতে তাঁদের অস্বস্তি হতো।

আমি ধরে নিইনি যে তাঁদের কাজের অভ্যাসই রোগটির কারণ। বরং অস্বস্তির চারপাশে একই ধরনের কিছু পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছি: দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, কাঁধ সামনের দিকে গোল হয়ে থাকা, আরামদায়ক সীমার মধ্যে খুব কম নড়াচড়া, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, কাজের মাঝে খুব কম বিরতি এবং ধীরে ধীরে শক্তি কমে যাওয়া।

নড়াচড়ার নির্দিষ্ট কিছু পরিসর খুব কম ব্যবহার করলে চলাফেরা আরও সীমিত হয়ে যেতে পারে। তাই কেউ যখন জিজ্ঞেস করেন, “আমার কোন ব্যায়ামটি করা উচিত?”, তখন আমি সবসময় একটি ব্যায়াম দিয়েই শুরু করি না।

আমার প্রশ্ন হলো: সময়ের সঙ্গে এই শরীর কী হারিয়েছে—আর এখন তার কী প্রয়োজন?

যেখানে উপযুক্ত এবং চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্টের নির্দেশনার মধ্যে থেকে, একটি সংশোধনী ব্যায়ামের পেছনে না ছুটে ধীরে ধীরে আরামদায়ক নড়াচড়া, শক্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই হতে পারে কাজের লক্ষ্য।

কাঁধের ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে, বাড়তে থাকলে বা আঘাতের পর শুরু হলে, স্পষ্ট দুর্বলতা দেখা দিলে কিংবা নড়াচড়ার ক্ষমতা কমে গেলে চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্টের মূল্যায়ন প্রয়োজন। ব্যায়ামে উপসর্গ বেড়ে গেলে সেটি প্রয়োজন অনুযায়ী বদলাতে বা বন্ধ করতে হবে।