প্রায় পঁচিশ বছর বয়সী এক যুবকের কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে—আন্তরিক এবং জিমে খুবই নিয়মিত। অনেক যুবকের মতো তাঁর ব্যায়ামের রুটিনও মূলত বুক ও বাইসেপস ঘিরে ছিল।

প্রথমে তিনি আমার কাছে আসেননি। হয়তো ভেবেছিলেন, একজন নারী বডিবিল্ডিং সম্পর্কে খুব বেশি জানবেন না। আমি এতে কিছু মনে করিনি। শুধু পর্যবেক্ষণ করেছি।

তিনি কঠোর পরিশ্রম করতেন, কিন্তু তাঁর কাঁধ সামনের দিকে টানা থাকত এবং নড়াচড়া সীমিত মনে হতো। শেষ পর্যন্ত তিনি বললেন, “ম্যাম, আমি সবই করছি, সেটও বাড়াচ্ছি, কিন্তু উন্নতি হচ্ছে না। শুধু ক্লান্ত লাগছে।”

আমি জিজ্ঞেস করলাম, তিনি শরীরের স্বচ্ছন্দ নড়াচড়া ও স্ট্রেচিংয়ের দিকে কতটা মনোযোগ দেন। প্রায় একেবারেই না।

আমি তাঁকে বোঝালাম, শারীরিক শক্তি আলাদা আলাদা খোপে থাকে না। নড়াচড়াকে অবহেলা করে শরীরের কয়েকটি অংশে বারবার চাপ দিলে পুরো শরীরের নড়াচড়ার ধরনই বদলে যেতে পারে।

আমি তাঁকে ওজন তোলা বন্ধ করতে বলিনি। শক্তি মূল্যবান। আমরা তাঁর রুটিনে স্বচ্ছন্দ নড়াচড়ার অনুশীলন, স্ট্রেচিং ও সামান্য যোগব্যায়াম যোগ করলাম এবং পুনরুদ্ধারকে আরও গুরুত্ব দিলাম।

নিয়মিত অনুশীলনের পর তিনি জানান, তাঁর আড়ষ্টতা কমেছে এবং সেটগুলোর মাঝখানে শরীর আগের চেয়ে ভালোভাবে পুনরুদ্ধার করছে। যোগব্যায়ামের জাদুতে তাঁর পেশি বদলে যায়নি; তাঁর প্রশিক্ষণে শুধু শরীরের প্রয়োজনীয় আরও কিছু উপাদান যুক্ত হয়েছিল।

এই অভিজ্ঞতা আমার আজও ধরে রাখা একটি বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে: শক্তি গুরুত্বপূর্ণ, তবে শরীরকে স্বচ্ছন্দে নড়াচড়া করতেও জানতে হয়।